অগ্রমস্তিষ্কের কাজ সেরেব্রাম দৃষ্টি, শ্রবণ, ঘ্রাণ, কথন, স্পর্শানুভূতি, স্মৃতিশক্তি, কর্মপ্রেরণা, বাকশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।সংবেদী অঙ্গ থেকে আসা অনুভূতি গ্রহণ ও বিশ্লেষণ করে।চিন্তা, বুদ্ধি, ইচ্ছা ও উদ্ভাবনী শক্তি প্রভৃতি মানসিক বোধের নিয়ন্ত্রণ করে।বিভিন্ন সহজাত প্রবৃত্তির নিয়ন্ত্রক।দেহের সব ঐচ্ছিক পেশির কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। থ্যালামাস সংজ্ঞাবহ স্নায়ুর রিলে স্টেশন হিসেবে কাজ করে।মানুষের ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক আচরণের প্রকাশ ঘটায়।রাগ/ক্রোধ, পীড়ন প্রভৃতি আবেগ সৃষ্টি করে।চাপ, স্পর্শ, যন্ত্রণা, অনুভূতির কেন্দ্র।ঘুমন্ত মানুষকে হঠাৎ জাগিয়ে পরিবেশ সম্পর্কে সতর্ক করে। হাইপোথ্যালামাস দেহতাপ নিয়ন্ত্রণ করে।ঘুম/নিদ্রা নিয়ন্ত্রণ করে।আবেগ/উদ্বেগ, ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘাম, রাগ, পীড়ন, ভাল লাগা, ঘৃণা প্রভৃতির কেন্দ্র।স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুর কেন্দ্র রূপে কাজ করে।নিউরোহরমোন উৎপাদন করে ট্রপিক হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।ভ্যাসোপ্রেসিন ও অক্সিটোসিন নামে দুধরনের নিউরো হরমোন সরাসরি ক্ষরিত হয় ও তা পশ্চাৎ পিটুইটারির মধ্যে জমা থাকে। Tags# অগ্রমস্তিষ্কের কাজ# ঘুমন্ত মানুষকে জাগ্রত করে কোনটি# থ্যালামাস# থ্যালামাসের কাজ# সেরেব্রামের কাজ# হাইপোথ্যালামাস# হাইপোথ্যালামাসের কাজ Md. Rasel Hossain Articles: 100 Previous Post অগ্রমস্তিষ্ক Next Post প্রাইভেট অ্যাকাউনটেন্ট